নেপালের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন সুশীলা কার্কি। জনজীবনে অস্থিরতা ও অচলাবস্থার মধ্যে তিনি জেন-জির বিক্ষোভকারীদের সমর্থন নিয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
৭৩ বছর বয়সী কার্কি ১৯৫২ সালের ৭ জুন নেপালের বিরাটনগরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তার মা-বাবার সাত সন্তানের মধ্যে বড় সন্তান। তার পূর্বসূরিরা কৃষক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
সুশীলা কার্কি দেশটির সাবেক প্রধান বিচারপতি। তিনি ২০১৬ সালের জুলাই থেকে ২০১৭ সালের জুন পর্যন্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্বে ছিলেন। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতার প্রতি অঙ্গীকারের কারণে তিনি খ্যাতি অর্জন করেন। আইন পেশায় আসার আগে তিনি শিক্ষকতাও করেছেন এবং ওই সময়ও বহু শুভাকাঙ্ক্ষী অর্জন করেছিলেন।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কার্কি ভারতের বারাণসী হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন এবং পরে নেপালের ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয়েও শিক্ষা গ্রহণ করেছেন। ভারতের পড়াশোনার সময়ই তার পরিচয় হয় স্বামী দুর্গা প্রসাদ সুবেদির সঙ্গে এবং পরবর্তীতে তারা সংসার শুরু করেন।
\r\n\r\n\r\n\r\n
সুশীলা কার্কির স্বামী সুবেদি ১৯৭৩ সালের ১০ জুন নেপালের প্রথম উড়োজাহাজ ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িত ছিলেন। তিনি বিরাটনগর থেকে কাঠমান্ডুর উদ্দেশে যাত্রা করা রয়্যাল নেপাল এয়ারলাইন্সের বিমান ছিনতাইয়ে যুক্ত ছিলেন। পরে সুবেদি রাজা মহেন্দ্রের নেতৃত্বাধীন রাজতন্ত্র উৎখাত করে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা নেন।





