বিদায়ী চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেছেন, নতুন নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নিলে স্বাভাবিকভাবেই তারা রাষ্ট্রের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিজেদের পছন্দের ব্যক্তিদের নিয়োগ দেয়। তবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে চলমান বিচারপ্রক্রিয়া যেন অব্যাহত থাকে, সেটিই তার প্রত্যাশা


\r\n

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-এ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

\r\n

তাজুল ইসলাম জানান, তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে এই দায়িত্বে নিয়োজিত হয়েছিলেন। এখন নতুন সরকার এসেছে এবং কাজের সুবিধার্থে তারা নিজস্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী দায়িত্বে পরিবর্তন এনেছে। নতুন দায়িত্বপ্রাপ্তদের প্রতি শুভকামনা জানিয়ে তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে তিনি পরামর্শ দিতে প্রস্তুত আছেন।

\r\n

তিনি বলেন, একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে তিনি চান বিচারপ্রক্রিয়া অব্যাহত থাকুক এবং দেশে এ ধরনের অপরাধ আর কখনও সংঘটিত না হোক। তার মতে, শঙ্কার কোনো কারণ নেই। ছাত্রজনতা ও ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা পূরণে বিচার কার্যক্রম এগিয়ে যাবে।

\r\n

তাজুল ইসলাম আরও জানান, শুরুতে তাকে বলা হয়েছিল আগের মতোই দায়িত্ব পালন করতে। পরে তিনি জানতে পারেন, নতুন কেউ তার স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন। এ অবস্থায় তিনি সংশ্লিষ্টদের কাছে পদত্যাগের বিষয়ে জানতে চাইলে তাকে পদত্যাগ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়। তিনি বলেন, পদত্যাগ করলে ভিন্ন বার্তা যেতে পারত, তাই তিনি সে পথে যাননি।

\r\n

চলমান মামলাগুলোর প্রসঙ্গে তিনি দাবি করেন, ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপিত যুক্তি ও প্রমাণ পৃথিবীর যে কোনো দেশের আদালতে উপস্থাপন করা হলে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে। পুরো প্রসিকিউশন দল ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

\r\n

দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেওয়ার পর তিনি তার আইনপেশায় ফিরবেন বলে জানান। তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবে তার পেশাগত কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।