নির্বাচনী সময়সূচি, প্রার্থীর যোগ্যতা-অযোগ্যতা, নির্বাচনী ব্যয়সহ নানা বিষয়ে পরিপত্র জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। সংবিধান ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ অনুযায়ী আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থীর যোগ্যতা ও অযোগ্যতা কীভাবে নির্ধারণ করা হবে তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১২(১) অনুযায়ী:

    \r\n
  • \r\n

    উপ-দফা (কক): কোনো প্রার্থী যদি আদালত কর্তৃক ফেরারি বা পলাতক হিসেবে ঘোষিত হন, বা কোনো সংবিধিবদ্ধ সরকারি প্রতিষ্ঠানে লাভজনক পদে নিয়োজিত থাকেন, তবে তিনি নির্বাচনে প্রার্থী হতে অযোগ্য হবেন।

    \r\n
  • \r\n
  • \r\n

    উপ-দফা (ড): কোনো প্রার্থী যদি কোম্পানির পরিচালক বা ফার্মের অংশীদার হন এবং কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে নেওয়া ঋণ বা কিস্তি মনোনয়নপত্র দাখিলের পূর্বে পরিশোধ না করেন, তবে নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না।

    \r\n
  • \r\n
  • \r\n

    উপ-দফা (ঠ): কৃষি কাজের জন্য নেওয়া ক্ষুদ্র ঋণ ছাড়া অন্য কোনো ব্যাংক ঋণ বা কিস্তি সময়মতো পরিশোধ না করলে প্রার্থী অযোগ্য গণ্য হবেন।

    \r\n
  • \r\n
  • \r\n

    উপ-দফা (ঢ): সরকারি টেলিফোন, গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি বা অন্য কোনো সেবার বিল পরিশোধে ব্যর্থ হলে প্রার্থী হওয়ার যোগ্যতা থাকবে না।

    \r\n
  • \r\n

পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, প্রতিটি মনোনয়নপত্রের সঙ্গে প্রার্থীর স্বাক্ষরিত হলফনামা এবং সর্বশেষ আয়কর রিটার্নের কপি সংযুক্ত করে দাখিল করতে হবে। এছাড়া এই বিধানগুলো স্থানীয়ভাবে ব্যাপকভাবে প্রচার করা হবে এবং নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকেও জনসচেতনতার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

\r\n\r\n\r\n\r\n

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন এবং নির্বাচনের তফসিল ও তারিখ ঘোষণা করেন। এরপর নির্বাচন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে পরিপত্র জারি করা শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন।