হবিগঞ্জের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য সচিব মাহদী হাসানকে দিল্লি বিমানবন্দরে আটকে দিয়েছে ভারতীয় ইমিগ্রেশন পুলিশ।


বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে ইন্ডিগো এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকায় ফেরার উদ্দেশ্যে বিমানবন্দরে গেলে তাকে আটক করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে অনলাইন গণমাধ্যম ‘দ্য ডিসেন্ট’।


ভারতে বাংলাদেশের কনসুলেট সূত্রের বরাতে জানানো হয়, দেশে ফেরার প্রক্রিয়ায় ইমিগ্রেশন পর্যায়ে তাকে থামিয়ে দেওয়া হয়। পরে তিনি বিষয়টি বাংলাদেশ হাইকমিশনের একজন কর্মকর্তাকে অবহিত করেন।


এর আগে মাহদী হাসান জানিয়েছিলেন, ফিনল্যান্ডে যাওয়ার ভিসা সংক্রান্ত কাজে তিনি দিল্লিতে অবস্থান করছিলেন। ভিএফএস সেন্টারে কাগজপত্র জমা দেওয়ার সময় অজ্ঞাত একজন তার ভিডিও ধারণ করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এরপর তার মোবাইলে বিভিন্ন অপরিচিত নম্বর থেকে কল ও বার্তা আসতে থাকে। তিনি দাবি করেন, তার অবস্থান ও ব্যক্তিগত তথ্য সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।


সম্প্রতি হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি আবুল কালামের সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়। ওই ভিডিওতে তার কিছু বক্তব্য ঘিরে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। পরবর্তীতে ২০২৬ সালের ৩ জানুয়ারি তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।


তার গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ করেন এবং নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান। ৪ জানুয়ারি সংগঠনের পক্ষ থেকে শুধু জামিন নয়, নিঃশর্ত মুক্তি এবং নির্দিষ্ট সময়কালের কার্যক্রমের দায়মুক্তি চেয়ে অধ্যাদেশ জারির দাবি জানানো হয়।

এ ঘটনায় এখনো ভারতীয় কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।