ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ-বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, দলের পক্ষ থেকে তাকে বারবার ফোন করা হচ্ছে। ফোনে বলা হচ্ছে, “মন্ত্রীত্ব দিব, আসন ছেড়ে দিন।” তিনি বলেন, “আমার জান থাক, শরীরে এক ফোঁটা রক্ত থাক, তবুও মন্ত্রীত্বের বিনিময়ে আমি আমার এলাকার মানুষকে ছাড়ব না।” রুমিন ফারহানা এই মন্তব্য করেন শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সরাইলের ইসলামাবাদ গ্রামে স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময়কালে।

তিনি আরও বলেন, খালেদা জিয়া তাকে রাজনীতিতে এনেছেন। বেগম খালেদা জিয়ার আশ্রয়, ভালোবাসা ও সহযোগিতার কারণে তিনি এতদূর এসেছেন। ২৩ নভেম্বর মনোনয়ন কেন দেওয়া হয়নি তা জানতে চেয়েছিলেন। এরপরও, খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

মতবিনিময়কালে তাকে একটি হাঁসও উপহার হিসেবে দেওয়া হয়। রুমিন ফারহানা জানান, ভোটের জন্য তিনি ‘হাঁস’ প্রতীক চাইবেন। দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে জোটপ্রার্থীর বিরুদ্ধে লড়াই করায় তাকে বিএনপি বহিষ্কার করেছে।

এদিকে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের নোয়াগাঁও ইউনিয়নের আখিঁতারা গ্রামে রুমিন ফারহানার মতবিনিময়কে কেন্দ্র করে দুইপক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এতে কিছু শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা আহত হয়েছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার বিকেলে রুমিন ফারহানা তেরকান্দা গ্রামে স্থানীয়দের সঙ্গে বৈঠক করছিলেন। ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে দু’জনের মধ্যে হাতাহাতি হয় এবং উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। উভয় পক্ষের লোকজন লাঠিসোটা নিয়ে বের হলেও স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে বিষয়টি বড় আকার ধারণ করেনি।

সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মঞ্জুর কাদের ভূইয়া জানান, মতবিনিময় সভায় দুইজনের মধ্যে হাতাহাতি হয়েছিল। তবে কোনো ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া বা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেনি এবং শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত থানায় কেউ অভিযোগ করেনি।