২৩ আগস্ট ২০২৫, শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কালো দিবস উপলক্ষে ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খানের কাছে ডাকসু নির্বাচনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সুস্পষ্ট বক্তব্য দেন। তবে কয়েকটি গণমাধ্যম তাঁর বক্তব্য বিকৃতভাবে প্রচার করায় জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে বিভ্রান্তি নিরসনের লক্ষ্যে উপাচার্যের বক্তব্য হুবহু তুলে ধরা হলো।


\r\n

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেন,

\r\n

“ডাকসুর আয়োজন যেকোনোভাবে একটি চ্যালেঞ্জিং কাজ। আমরা প্রতিনিয়ত চেষ্টা করছি সবার জন্য একটি ভালো পরিবেশ তৈরি করতে। নিয়মিত কাজ করছি। গতকাল রাতেও ইলেকশন কমিশন, সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট টিম এবং হল প্রভোস্টদের নিয়ে বৈঠক করেছি। বড় দাগে যেসব উদ্বেগ এসেছে সেগুলো একে একে সমাধানের চেষ্টা করছি। নিখুঁত পরিবেশ আপেক্ষিক একটি বিষয়, এটি চলমান প্রক্রিয়া। নয়-দশ মাস ধরে আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়ে আমরা মাঠে নেমেছি। সমস্যা এসেছে, আমরা সমাধানের চেষ্টা করছি। ছাত্রসংগঠনগুলোর আচরণ আমাদের আশাবাদী করেছে। তাদের মতানৈক্য থাকলেও মোটা দাগে তারা ডাকসু নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দ ও উদ্দীপনা ছড়িয়ে পড়েছে—এটাই আমাদের বড় শক্তি।


\r\n

এই আয়োজন কেবল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিষয় নয়; এটি একটি জাতীয় দায়বদ্ধতা। পুরো জাতি আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে। এটি কোনো ব্যক্তিগত দায় নয়, বরং সম্মিলিত দায়িত্ব। ছাত্রদের ব্যাপক আগ্রহ ও দাবির প্রেক্ষিতে আমরা মাঠে নেমেছি। মোটামুটি ভালো পরিবেশ বজায় রাখতে যা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে তা নিয়মিতভাবে আপডেট আকারে জানানো হবে। সাংবাদিকদের তথ্যের প্রয়োজন আমরা বুঝি, নিয়মিতভাবে তা জানানো হবে। ইলেকশন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা কাজ করছি এবং প্রশাসন সর্বোচ্চ সহযোগিতা দিচ্ছে। তাদের যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন।

\r\n

আমার কথা পরিষ্কার—সকল অংশীজনের সঙ্গে ৭০টির বেশি বৈঠক করে আমরা এতটুকু এগিয়েছি। সবাই যতক্ষণ আমার সঙ্গে থাকবেন, ততক্ষণ এ প্রক্রিয়া চলবে। যদি কোনো পর্যায়ে বাঁধা আসে, আমি আপনাদের সরাসরি জানিয়ে দেবো।”


\r\n

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছে।