ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের প্রচারণার প্রথম দিনেই সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। ইসলামী ছাত্রশিবির-সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট’-এর পক্ষ থেকে চারুকলায় স্থাপন করা দুটি ব্যানার ভাঙচুর করা হয়েছে।


\r\n

মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) দুপুর ১টার পর দুই ধাপে এ ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাঙচুর হওয়া একটি ব্যানারের ছবি ছড়িয়ে পড়লে, ঘটনাস্থলে গিয়ে এর সত্যতা মেলে।

\r\n

দুপুর ২টা ১৯ মিনিটে চারুকলা অনুষদের সামনের এলাকায় একটি ব্যানার ভাঙা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়, যদিও ভেতরে রাখা আরেকটি ব্যানার তখনও অক্ষত ছিল। এ বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী প্রক্টর ড. ইসরাফিল প্রাং শুরুতে ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত নন বলে জানান। তবে পরে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে খোঁজখবর নেন।

\r\n

ঘটনাস্থলে দারোয়ানদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, দায়িত্বপ্রাপ্ত দারোয়ান জানান তিনি দুপুর ২টায় দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং ব্যানার ভাঙচুরের ঘটনা তার দায়িত্ব শুরুর আগেই ঘটে।

\r\n

পরে সহকারী প্রক্টর বেলা ৩টার দিকে চারুকলার ভেতরে অপর একটি ব্যানার পরিদর্শনে গিয়ে সেটিও ভাঙচুর অবস্থায় দেখতে পান। এ সময় কয়েকজন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। এক নারী শিক্ষার্থী ব্যানারটি কেন রাস্তার পাশে টাঙানো হয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

\r\n

সহকারী প্রক্টরের সংগ্রহ করা একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, লাল এবং কালো টি-শার্ট পরিহিত দুইজন শিক্ষার্থী ব্যানারটি ভাঙচুর করছেন। তবে এখনও পর্যন্ত তাদের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

\r\n

ঘটনার বিষয়ে ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের জিএস পদপ্রার্থী ও ঢাবি শিবির সভাপতি এস এম ফরহাদ বলেন, “নির্বাচনী প্রচারণার প্রথম দিনেই এমন ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। নির্বাচন কমিশনকে অবশ্যই সিসিটিভি ফুটেজ দেখে দোষীদের চিহ্নিত করে শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।”

\r\n

তিনি আরও জানান, তারা বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন কমিশনকে জানাবেন।

\r\n

এদিকে সহকারী প্রক্টর ড. ইসরাফিল প্রাং বলেন, “কে বা কারা এবং কী উদ্দেশ্যে ব্যানার ভাঙচুর করেছে, তা তদন্ত করে বের করতে হবে। সবার গণতান্ত্রিক অধিকার আছে, কিন্তু এভাবে ব্যানার ভাঙচুর কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”