মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তোলা একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এ নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে প্রেস উইং।
শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে প্রেস সচিব শফিকুল আলম একটি ফেসবুক পোস্টে এই বিতর্কের জবাব দেন।
তিনি লেখেন, “মার্কিন কর্তৃপক্ষ শুক্রবার, নিউইয়র্ক সময় সন্ধ্যা ৬টা ০৯ মিনিটে প্রধান উপদেষ্টা ও তাঁর কন্যার সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের তোলা ছবি পাঠায়। আমরা জানতে পেরেছি, সাধারণত হোয়াইট হাউস থেকে এ ধরনের ছবি রিসেপশনের কয়েক দিন পরে প্রকাশ করা হয়। তাই ২৩ সেপ্টেম্বরের আয়োজিত রিসেপশনের ছবি তিন দিন পর আসাটাই স্বাভাবিক।”
‘ছবিটি কৃত্রিম’— এমন দাবির জবাবে কড়া মন্তব্য
ছবিটি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে এক শ্রেণির মানুষ \"এডিট করা\" বা \"কৃত্রিম\" বলে প্রচার চালাচ্ছে— এমন অভিযোগের জবাবে শফিকুল আলম লেখেন:
“আমি জানি কিছু মানুষ ছবিটি নিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে। তাদের উদ্দেশে বলব— আপনি যদি ‘আবুল’ হন, তবে আপনার ‘আবুলত্ব’ দূর করার দায়িত্ব সরকারের নয়।”
ছবিটি তোলা হয়েছিল গত ২৩ সেপ্টেম্বর, নিউইয়র্কে অবস্থিত লোটে নিউইয়র্ক প্যালেস হোটেলে।
ওই দিন জাতিসংঘের ৮০তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে আগত বিশ্বনেতাদের সম্মানে মার্কিন প্রেসিডেন্টের আয়োজনে এক অভ্যর্থনা ও নৈশভোজ অনুষ্ঠিত হয়।
ড. ইউনূসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত ছবির সঙ্গে জানানো হয়, প্রধান উপদেষ্টা এবং তাঁর কন্যা দীনা ইউনূস উক্ত অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে অংশ নেন। সেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান ড. ইউনূস।
প্রসঙ্গত, ড. মুহাম্মদ ইউনূস বর্তমানে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশন উপলক্ষে নিউইয়র্কে অবস্থান করছেন। গত ২৬ সেপ্টেম্বর রাতে তিনি সেখানে একটি ভাষণ দিয়েছেন।
সরকারি পর্যায়ে এই ছবি ও সফর নিয়ে আনুষ্ঠানিক অবস্থান স্পষ্ট হলেও, একটি মহল এখনো সামাজিক মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়াতে সক্রিয় রয়েছে। প্রেস সচিবের বক্তব্য সেই প্রচার বন্ধে একটি সুস্পষ্ট বার্তা হিসেবেই দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।





