কক্সবাজারের টেকনাফের লম্বাবিল এলাকায় আরাকান আর্মির ছোড়া গুলিতে বাড়ির সামনে খেলতে থাকা হুজাইফা সুলতানা আফনান নামের এক শিশু গুরুতর আহত হয়েছে। সে স্থানীয় হাজি মোহাম্মদ হোছন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী।


\r\n

আহত শিশুর বাবা জসিম উদ্দিন জানান, রোববার সকালে স্কুলে যাওয়ার আগে হুজাইফা বাড়ির সামনে খেলছিল। এ সময় বেড়িবাঁধের দিক থেকে আরাকান আর্মি এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। একটি গুলি তার কানের পাশে লাগে। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তাকে দ্রুত উদ্ধার করা হয়। প্রথমে এমএসএফ হাসপাতালে নেওয়া হয়, পরে অবস্থার অবনতি হলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। সর্বশেষ খবরে জানা গেছে, সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জীবিত আছে।


\r\n

এদিকে সীমান্ত পরিস্থিতির অবনতির মধ্যে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টাকালে মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠীর ৫০ সদস্যকে আটক করে হেফাজতে নিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও পুলিশ। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ৩ থেকে ৪ জন গুলিবিদ্ধ বলে জানা গেছে।


\r\n

কক্সবাজার সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মহিউদ্দিন আহমেদ ৫০ জনকে হেফাজতে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

\r\n

স্থানীয় বাসিন্দা ছৈয়দ আলম বলেন, শনিবার রাত থেকে রোববার সকাল পর্যন্ত আরসা ও আরাকান আর্মির মধ্যে তীব্র গোলাগুলি চলে। একপর্যায়ে আরসার সদস্যরা আরাকান আর্মির তাড়ায় সীমান্ত পার হয়ে এপারে চলে আসে। এতে এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।


\r\n

হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ খোকন কান্তি রুদ্র জানান, আরসাসহ ৫০ জন সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্যকে হেফাজতে রাখা হয়েছে। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য তাদের টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হবে।