বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান জুতা খুলে দেশের মাটি স্পর্শ করে বাংলাদেশে পৌঁছেছেন। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বেলা পৌনে ১২টার দিকে তাকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার (ফ্লাইট নম্বর বিজি-২০২) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর বিএনপির সিনিয়র নেতারা তাকে স্বাগত জানান। পরে গোলাপ ফুলের মালা দিয়ে তারেক রহমানকে বরণ করেন তার শাশুড়ি সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে বিমানটি। সেখানে প্রায় এক ঘণ্টা গ্রাউন্ড টার্নঅ্যারাউন্ড শেষে সকাল ১১টা ৪ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে পুনরায় যাত্রা শুরু করে এবং বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে ঢাকায় অবতরণ করে।
বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয় তারেক রহমানকে বহনকারী ফ্লাইটটি। এর আগে একই দিন রাত সোয়া ৮টার দিকে লন্ডনের নিজ বাসা থেকে বের হয়ে স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে রাত সোয়া ১০টায় হিথ্রো বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি। তার সঙ্গে দলের প্রায় ৫০ জন নেতাকর্মী একই ফ্লাইটে দেশে ফেরেন।
তারেক রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও আশপাশের এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। সেনাবাহিনী, পুলিশ ও র্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে দেখা গেছে।
এদিকে তার আগমন উপলক্ষে বুধবার সকাল থেকেই সংশ্লিষ্ট এলাকায় মঞ্চের শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি ও সাজসজ্জার কাজ সম্পন্ন করা হয়। সরেজমিনে দেখা গেছে, ব্যানার, পতাকা, তোরণ ও আলোকসজ্জায় সজ্জিত মঞ্চ এলাকা পরিদর্শনে নেতাকর্মীদের ভিড় বাড়ছে। অনেক নেতাকর্মী আগের রাত থেকেই সেখানে অবস্থান নেন।
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মঞ্চ ও আশপাশের এলাকায় পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনীর টহল জোরদার করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
কুড়িল বিশ্বরোড মোড় থেকে পূর্বাচলমুখী সড়কের উত্তর পাশে দক্ষিণমুখী করে বাঁশ ও কাঠ দিয়ে ৪৮ ফুট বাই ৩৬ ফুট আয়তনের একটি বিশাল মঞ্চ নির্মাণ করা হয়েছে। এখন অপেক্ষা শুধু আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির।





