তারেক রহমান বলেন, জামায়াত ভোটাধিকার নস্যাৎ করার জন্য নানা ষড়যন্ত্র করছে এবং তাদের ইচ্ছা মোতাবেক ভোট গ্রহণ করতে দিচ্ছে না। তিনি অভিযোগ করেন, জামায়াত গোষ্ঠী প্রতিদিন বিদেশি কূটনৈতিকদের সঙ্গে মিটিং করছে এবং তাদের পদক্ষেপ দেশকে অস্থিরতায় ঠেলে দিচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধবিরোধী তৈরির চেষ্টা বহু আগেই শুরু করেছে জামায়াত; কিছু মানুষ রাজাকার শব্দকে 'সম্মান' হিসেবে উপস্থাপন করছে এবং ইতিহাসের বয়ান বদলে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। এসব পরিস্থিতি স্বাধীনতাবিরোধী শক্তিকে উৎসাহ দিচ্ছে—এমন অভিযোগও তিনি তোলেন।

বাসে আগুন লাগার সাম্প্রতিক ঘটনার প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, এ ধরনের ঘটনার পেছনে দুই ধরনের উদ্দেশ্য থাকতে পারে — প্রত্যক্ষ প্রতিবাদ কিংবা রাজনৈতিক অপপ্রচারের অংশ হিসেবে কোনো দলকে সন্ত্রাসী হিসেবে দেখানো।

তিনি বলেন, রাজনীতি একটি সামাজিক চুক্তি; পরাজিত পক্ষকেও রাজনৈতিক জীবনে সাময়িকভাবে সমন্বয় ও সুযোগ দেওয়া উচিত। অপরাধীদের বিচারের দাবি থাকলেও, বিচার পরিচালনায় যুক্ত পক্ষের কোনো দলের প্রভাব থাকা মানবেন না তিনি।

তারেক বলেন, ‘‘জামায়াত আর আওয়ামী লীগ নিয়ে যদি আমাকে বেছে নিতে বলা হয়, আমি জামায়াতকে কোটি গুণ বেশি অপরাধী মনে করি—কারণ তারা দেশের স্বার্থ বিপর্যয়ে পক্ষপাতী।’’ তিনি একই সঙ্গে ২০০৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের হত্যার বিচার চান, কিন্তু বলেন বিচারটি ন্যায়নিষ্ঠ ও নিরপেক্ষ হতে হবে; ‘‘জামায়াতের হাতে আওয়ামী লীগের বিচার আমি চাই না।’’

শেষে তিনি বলেন, সাংবাদিক পান্না ভাইকে কথা বলার জন্য যদি কারাভোগ করতে হয়, তাহলে জামায়াতের অনেক প্রজন্মকেই আজীবন সাজার মুখোমুখি হতে হবে—এই কঠোর মন্তব্যও করেন তিনি।