জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচনের ভোট গণনা শেষ হয়েছে। জাকসুর ২৫টি পদের মধ্যে দুটি পদে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ (বাগছাস) সমর্থিত প্যানেল ‘শিক্ষার্থী ঐক্য ফোরাম’।


\r\n

শীর্ষ চারটি পদের তিনটিতেই ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল এগিয়ে রয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক বিশ্বস্ত সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।


\r\n

বাগছাস সমর্থিত প্যানেল থেকে সমাজসেবা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক পদে আহসান লাবীব এবং কার্যকরী সদস্যপদে ছেলেদের জন্য নির্ধারিত তিনটি পদের একটি পেতে মোহাম্মদ আলী চিশতি এগিয়ে আছেন।


\r\n

সহসভাপতি (ভিপি) পদে এগিয়ে আছেন স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী সম্মিলন প্যানেলের আব্দুর রশিদ জিতু। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রশিবির সমর্থিত সমন্বিত শিক্ষার্থী জোট প্যানেলের আরিফুল আদিব জিতুর থেকে প্রায় ৮০০ ভোট কম পেয়েছেন।


\r\n

শিবির সমর্থিত প্যানেল একচ্ছত্র আধিপত্যে এগিয়ে আছে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে মাজহারুল ইসলামের মাধ্যমে। এছাড়া সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) নারী ও এজিএস (পুরুষ) পদে এগিয়ে আছেন শিবির সমর্থিত প্যানেলের আয়েশা সিদ্দিকা মেঘলা এবং ফেরদৌস হাসান।


\r\n

প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক মো. মনিরুজ্জামান বলেছেন, জাকসু নির্বাচনে ভোট কারচুপি বা জাল ভোট প্রমাণিত হলে তিনি চাকরি ছেড়ে দেবেন এবং কোনো পেনশনও গ্রহণ করবেন না। শনিবার দুপুরে ভোটে কারচুপির অভিযোগ নিয়ে এক সংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।