আগামী সংসদ নির্বাচনে মেধাবীদের প্রাধান্য দিতে চায় বিএনপি। এ জন্য দলীয় প্রার্থী বাছাইয়ে জনপ্রিয়তা, ক্লিন ইমেজ, যোগ্যতা ও আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থাকার বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। তরুণদেরও বিশেষভাবে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে দলটি।

দলীয় সূত্র জানায়, প্রার্থিতা চূড়ান্ত করতে বিএনপি ইতোমধ্যে একাধিক মাঠ জরিপ সম্পন্ন করেছে। তবে চূড়ান্ত তালিকা এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। নির্বাচনের তপশিল ঘোষণার আগে সম্ভাব্য প্রার্থীদের প্রাথমিক তালিকা তৈরি করা হবে এবং তপশিল ঘোষণার পর একক প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে।

স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, “প্রতিটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী থাকলেও যাচাই-বাছাইয়ের পর এবার একক প্রার্থী দেওয়া হবে। এলাকায় জনপ্রিয়তা, যোগ্যতা, গ্রহণযোগ্যতা ও আন্দোলনে ভূমিকা—এসবের ভিত্তিতেই মনোনয়ন নির্ধারিত হবে।”

দলীয় সূত্র আরও জানায়, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সরাসরি এই প্রক্রিয়া তদারকি করছেন। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত রোডম্যাপ অনুযায়ী আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ভোট হওয়ার কথা থাকায় ডিসেম্বরের তপশিল ঘোষণার পর বিএনপি প্রার্থী চূড়ান্ত করবে।

দলের নীতিগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিতর্কিত ও বহুবারের প্রার্থীরা বাদ পড়তে পারেন। অন্তত দুই ডজন পুরোনো মুখ প্রার্থী তালিকা থেকে ছিটকে যেতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। অন্যদিকে তরুণদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে শতাধিক আসনে নতুন প্রার্থী মনোনয়নের প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি।