জয়পুরহাটে ৭ জন ছাত্রদল নেতাকে বহিষ্কার করার প্রতিবাদে বহিস্কৃত ছাত্রদল নেতাদের নেতৃত্বে শহরের শহীদ ডা: আবুল কাশেম ময়দান থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বিক্ষুব্ধ নেতা-কর্মীদের নিয়ে বের হয়। মিছিলটি প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণের পর সংবাদ সম্মেলন করেছে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা।
বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জেলা বিএনপির কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বহিস্কৃত ছাত্রদল নেতাদের স্বপদে বহাল ও সঠিক তদন্তের মাধ্যমে ষড়যন্ত্রকারীদের শাস্তির দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন জয়পুরহাট সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব পিয়াস আহম্মেদ পৃথিবী ও জয়পুরহাট শহর ছাত্রদলের সদস্য সচিব হাসানুল বান্না হাসান। এ সময় বহিস্কৃত অন্য নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, অগণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় জয়পুরহাট সরকারি কলেজ ছাত্রদল শাখার কাউন্সিল করতে বাধা দেওয়ায় ষড়যন্ত্র করে তাদের বহিস্কার করা হয়েছে। অথচ জীবন বাজি রেখে বিগত আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে দীর্ঘ ১৭ বছর জেল জুলুম হুলিয়া ও নানা নির্যাতন সহ্য করে জয়পুরহাটে আমরা ছাত্রদলে নেতৃত্ব দিয়েছি। কিন্তু আজ কুচক্রী মহলের চক্রান্তে অন্যায়ভাবে আমাদেরকে দল থেকে বিচ্ছিন্ন করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে।
আগামী তিন দিনের মধ্যে বহিস্কৃতদের স্বপদে বহাল করা না হলে রবিবার থেকে অনশন কর্মসূচী সহ ছাত্রদলের তিন শতাধিক নেতৃবৃন্দ গণহারে পদত্যাগ করার আলটিমেটাম দেওয়া হয় সংবাদ সম্মেলন থেকে।
এর আগে গতকাল বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের জয়পুরহাট জেলা, শহর ও একটি কলেজ শাখার ৭ নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ শাস্তি প্রদান করা হয়।
বহিস্কৃত নেতারা হলেন, জয়পুরহাট জেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম,জয়পুরহাট সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব পিয়াস আহম্মেদ পৃথিবী,যুগ্ম আহ্বায়ক সাগর চৌধুরী ও আহাদ হোসেন, জয়পুরহাট শহর শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব হাসানুল বান্না হাসান ও যুগ্ম আহ্বায়ক সোহরাফ হোসেন ইমন এবং জয়পুরহাট শহীদ জিয়া ডিগ্রী কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল করিম রাকিব।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন। সেই সাথে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সাথে বহিস্কৃতদের সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশনাও দেয়া হয়েছে।





