বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যা মামলায় সাবেক উপাচার্য (ভিসি) হাসিবুর রশীদসহ ৩০ জনের বিরুদ্ধে আজ সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) তৃতীয় দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে।
সাক্ষ্যগ্রহণ পরিচালনা করছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২, যার চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল গঠিত হয়েছে। অন্য দুই সদস্য হলেন- অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মঞ্জুরুল বাছিদ এবং জেলা ও দায়রা জজ নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয় ২৮ আগস্ট, নিহত আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেনের জবানবন্দির মাধ্যমে। এরপর ৭ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় দিনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়, যার ধারাবাহিকতায় আজ তৃতীয় দিনের কার্যক্রম চলছে।
এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রম শুরু হয় ২৭ আগস্ট, চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলামের সূচনা বক্তব্যের মধ্য দিয়ে। এর আগে, গত ৬ আগস্ট ট্রাইব্যুনাল ৩০ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফর্মাল চার্জ) গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয়।
তবে মামলার ৩০ আসামির মধ্যে ২৪ জন এখনো পলাতক। তাদের পক্ষে রাষ্ট্রীয় খরচে ২২ জুলাই চারজন আইনজীবী নিয়োগ দেন আদালত। ৩০ জুলাই পলাতকদের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবীরা। আইনজীবী সুজাত মিয়া পাঁচজন আসামির পক্ষে, মামুনুর রশীদ নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতাদের পক্ষে, ইশরাত জাহান ও শহিদুল ইসলাম অন্যান্যদের পক্ষে শুনানি করেন।
এর আগে, ২৯ জুলাই তিনজন আসামির পক্ষে শুনানি হয়। শরিফুলের পক্ষে ছিলেন আমিনুল গণি টিটো, কনস্টেবল সুজনের পক্ষে আজিজুর রহমান দুলু এবং ইমরানের পক্ষে সালাহউদ্দিন রিগ্যান শুনানি করেন।
প্রসিকিউশন ২৮ জুলাই ৩০ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি সম্পন্ন করে। এরও আগে, ৩০ জুন অভিযোগপত্র আমলে নেয় ট্রাইব্যুনাল এবং ২৪ জুন তদন্ত সংস্থা মামলার চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়।
এই মামলায় মোট ৬২ জন সাক্ষী রয়েছেন বলে জানা গেছে।





