বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, “যখন মানুষ প্রাণীদের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়, তাদের নিরাপদ আবাস নিশ্চিত করে, তখন সেটি মানবিকতা ও উন্নত নৈতিকতার পরিচায়ক। মানুষের স্বার্থেই প্রাণীদের বাঁচিয়ে রাখা ও তাদের আবাস টিকিয়ে রাখা জরুরি।”

শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘প্রাণী ও প্রাণের মিলনমেলা’ শীর্ষক এক প্রদর্শনীতে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন তিনি।অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে বাংলাদেশ অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (বিএডব্লিউইএ)।

“যেভাবে গণতন্ত্র মানুষের অধিকার রক্ষার ভিত্তি, ঠিক একইভাবে বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য প্রাণীকুলের অধিকার সুরক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই, রাষ্ট্র ও রাজনীতিতে যদি গণতন্ত্র ও শুদ্ধাচার প্রতিষ্ঠিত থাকে, বাস্তুতন্ত্রও ততটাই নিরাপদ থাকে।”

“আমার প্রত্যাশা—‘প্রাণ বাঁচাও, প্রাণী বাঁচাও, দেশ হোক সব প্রাণের নিরাপদ আশ্রয়স্থল’। প্রাণীকুলের সুরক্ষা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। যেমন ব্যাঙ এডিস মশার লার্ভা খেয়ে মশার বিস্তার কমায়—এটা প্রাকৃতিক ও টেকসই সমাধান। তাই শহরাঞ্চলেও ব্যাঙের নিরাপদ আবাস গড়ে তোলা প্রয়োজন। এক সময় দেশে প্রায় ১,৬০০ প্রজাতির প্রাণী ছিল। বর্তমানে প্রায় ৩০০ প্রজাতি বিলুপ্তির মুখে। সুন্দরবনের বাঘের সংখ্যা আশির দশকে ৪০০’র বেশি থাকলেও এখন তা একশর কাছাকাছি। হাতির সংখ্যাও কমে ২০০’র নিচে নেমে এসেছে।”

“দেশে প্রাণিকল্যাণ আইন, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন, পরিবেশ সংরক্ষণ আইনসহ বেশ কয়েকটি আইন থাকলেও সেগুলো সময়োপযোগী করা প্রয়োজন। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে এ আইনগুলো সংস্কার করে বাস্তুতন্ত্র ও প্রাণীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে।”