গাজায় চলমান সংঘাত নিরসনে সামনের কয়েক দিনের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব হতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে হোয়াইট হাউস। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক দূত স্টিভ উইটকফ এবং হামাসের মধ্যে একটি সাধারণ কাঠামোর বিষয়ে সমঝোতার পর এই আশা প্রকাশ করা হয়েছে।
\r\nমার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস এক প্রতিবেদনে আলোচনার সঙ্গে যুক্ত তিনটি সূত্রের বরাতে জানায়, হোয়াইট হাউস আশাবাদী যে উইটকফের নতুন প্রস্তাবের মাধ্যমে একটি যুদ্ধবিরতির পথ উন্মুক্ত হতে যাচ্ছে।
\r\nএকটি সূত্র বলেছে, “যুদ্ধবিরতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ যদি কিছুটা নমনীয়তা দেখায়, তাহলে কয়েক দিনের মধ্যেই একটি চুক্তি সম্ভব।”
\r\nবুধবার রাতে হামাস জানিয়েছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের দূতের সঙ্গে একটি সাধারণ কাঠামোর বিষয়ে সমঝোতায় পৌঁছেছে, যার আওতায় থাকবে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি, গাজা থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর পূর্ণ প্রত্যাহার এবং মানবিক সহায়তার অবাধ প্রবেশ।
\r\nহামাস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, “উইটকফের সঙ্গে একটি কাঠামোগত চুক্তি হয়েছে, যা গাজায় শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর পথ তৈরি করবে।” চুক্তিতে গাজার বিষয়াদি পরিচালনার জন্য একটি পেশাদার কমিটি গঠনের কথাও বলা হয়েছে।
\r\nহামাস আরও জানিয়েছে, মধ্যস্থতাকারীদের গ্যারান্টির ভিত্তিতে নির্দিষ্ট সংখ্যক ফিলিস্তিনি বন্দির বিনিময়ে ১০ জন জীবিত ইসরায়েলি জিম্মি এবং আরও কিছু দেহাবশেষ হস্তান্তরের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
\r\nহামাসের ঘোষণা পরপরই উইটকফ ওভাল অফিসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং চুক্তির জন্য একটি নতুন টার্মশিট প্রস্তুত করেন।
\r\nস্টিভ উইটকফ বলেন, “আমি একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি এবং দীর্ঘমেয়াদি শান্তিপূর্ণ সমাধান নিয়ে অত্যন্ত আশাবাদী।”
\r\nসম্প্রতি তিনি কাতারের রাজধানী দোহায় হামাস নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। আলোচনায় অংশ নেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, তার শীর্ষ উপদেষ্টা রন ডার্মার এবং ফিলিস্তিনি-আমেরিকান ব্যবসায়ী বিশারা বাহবাহ। সূত্র: আল জাজিরা, অ্যাক্সিওস





