অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট এমনভাবে অনুষ্ঠিত হবে যে ভবিষ্যতের নির্বাচনের জন্য এটি আদর্শ হয়ে থাকবে। বুধবার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে এবং নির্বাচনের দিন কোনো ঘাটতি থাকা উচিত নয়।

প্রধান উপদেষ্টা জানান, ভোটকেন্দ্রে বডি ক্যামেরা ও সিসি ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে এবং কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল রুম থেকে সবকিছু মনিটর করা হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা পারস্পরিক সৌহার্দ্য বজায় রেখে নির্বাচন করবেন।

ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানান, এবারের নির্বাচনে নিবন্ধিত ৫৯টি দলের মধ্যে ৫১টি দল অংশগ্রহণ করছে। পর্যবেক্ষণের জন্য ২৬ দেশের প্রতিনিধিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যে ৫৬ জন দেশে অবস্থান করছেন। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে মধ্যরাত থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সেনাবাহিনী, আনসার-বিডিপি এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। বডি ক্যামেরা ও ড্রোন ব্যবহার করে মনিটরিং করা হবে। এছাড়া বিদ্যুৎ, টেলিযোগাযোগ ও ইন্টারনেট সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।

সেনাবাহিনী প্রধান ওয়াকার-উজ-জামান জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানকালে লুট হওয়া অস্ত্র ও গোলাবারুদের অধিকাংশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং নির্বাচনের সময় জনমনে স্বস্তি নিশ্চিত করার জন্য বাহিনী পর্যবেক্ষণ ও প্রস্তুতি থাকবে।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী প্রধান, র‌্যাব ও অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।