মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের গুরুত্বপূর্ণ খার্গ দ্বীপ দখলে নিতে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র। ফিনান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। এরপর থেকেই প্রশ্ন উঠেছে—ছোট এই দ্বীপটি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের এত আগ্রহ কেন?


ইরানের উপকূলে অবস্থিত খার্গ দ্বীপ আয়তনে ছোট হলেও দেশটির অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটিকে ইরানের অর্থনীতির ‘লাইফলাইন’ বলা হয়। সাম্প্রতিক সময়ে সামরিকভাবে প্রত্যাশিত সাফল্য না পাওয়ার পর এখন এই কৌশলগত দ্বীপটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চিন্তা করছে ওয়াশিংটন।


বিশ্লেষকদের মতে, দ্বীপটি দখলে গেলে ইরানের তেল রপ্তানি প্রায় বন্ধ হয়ে যেতে পারে, যা দেশটির প্রধান আয়ের উৎসে বড় ধাক্কা দেবে। একই সঙ্গে এটি ইরানের মূল ভূখণ্ডে হামলার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।


এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, এতে আইআরজিসির সামরিক ও নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনার সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে।


তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন অভিযান পরিকল্পনা করা যত সহজ মনে হয়, বাস্তবে তা অনেক বেশি কঠিন ও ঝুঁকিপূর্ণ। সিবিএস-এর নিরাপত্তা বিশ্লেষক অ্যারন ম্যাকলিনের মতে, দ্বীপটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হলেও সামরিকভাবে দখল করা বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে।