নিজস্ব প্রতিবেদক : কুষ্টিয়া কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের কালোয়া গ্রামে ভোর রাতে গ্রামবাসীর উপর হামলা বাড়ি-ঘর ভাংচুর এবং দেড় ঘন্টা ব্যাপী গুলির ঘটনায় থমথমে পুরো এলাকা।
স্থানীয়রা জানান, গতকাল রাতে ফজরের আযানের সময় ২০/২৫ জনের একটি সন্ত্রাসী দল অস্ত্র সহ বাড়িঘরে গুলি চালায়। তারা পদ্মা নদী থেকে নৌকা যোগে এসে নদী পাড়ের ঘরবাড়িতে হামলা চালায়, এরপর গুলি ছুড়তে ছুড়তে গ্রামের ভেতরে প্রবেশ করে।
বেড় কালুয়া জহুরুল ডাক্তারের মোড় এলাকায় কয়েকটি বাড়িতে হামলা চালায় এসময় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন কয়েকজন। রাতের গোলাগুলির ঘটনায় এখন পর্যন্ত পাঁচ জন গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আরো কয়কজন গুলিবিদ্ধ অবস্থায় বাড়িতেই চিকিৎসা নিচ্ছেন।
সেসময় বাড়িঘড় ভাংচুর হয়েছে আতিয়ার শেখের আঃ মজীদের, রবুল শেখের, ফারুক হোসেনের, কুদ্দুস শেখেরসহ অনেকের। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধে আহত হয়েছেন রুহুল শেখ, আশিক শেখ, আঃ কুদ্দুস শেখসহ বেশ কয়েকজন।
স্থানীয়রা বলছেন রাশিদুল ইসলাম রাশি মেম্বার ও লিটন গ্রুপ পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ইয়ারুল গ্রুপের উপর হামলা করেছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সেসময় গর্ভবর্তী নারী, শিশুসহ মহিলাদেরকেও মাইরপিট করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এঘটনার পর সকাল থেকেই পুলিশ, ডিবি সহ সার্কেল এসপি ঘটনাস্থলে অবস্থান করছে, তবে কে বা কারা এঘটনার সাথে জড়িত এবিষয়ে স্পষ্ট করে কোন তথ্য দিতে পারেননি। এ ঘটনা এখন পর্যন্ত কেউ আটক হয়নি বলেও জানা গেছে। তবে নদী পাড়ার মানুষের ভেতর আতঙ্ক দেখা গেছে।
কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোন্দকার জিয়াউর রহমান জানান, এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা আছে। ভুক্তভোগীদের এজাহার দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। লিখিত পেলে দোষীদের বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।





