যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের দুই মুসলিম নারী সদস্য রাশিদা তালিব ও ইলহান ওমর-কে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর দাবি জানিয়েছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার তার স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণের সময় ওই দুই সদস্য প্রতিবাদ করলে তিনি এ দাবি তোলেন।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) আনাদোলু এজেন্সির বরাতে মিডল ইস্ট মনিটর এ তথ্য জানায়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প লেখেন, নীতিহীন ও দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনীতিবিদরা যদি কোনো দেশের জন্য ক্ষতিকর হয়ে ওঠে, তাহলে তাদের দ্রুত নিজ নিজ দেশে পাঠিয়ে দেওয়া উচিত।
মঙ্গলবার কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণের সময় ওই দুই আইনপ্রণেতা অভিবাসন নীতি ও মার্কিন নাগরিকদের মৃত্যুর ঘটনায় প্রশাসনের ভূমিকার প্রতিবাদ জানান। ভাষণ চলাকালে তারা বারবার ট্রাম্পের বক্তব্যের বিরোধিতা করছিলেন। পরে তারা হাউস চেম্বার ত্যাগের সময় উচ্চস্বরে প্রতিবাদ করেন এবং বলেন, “আপনি আমেরিকানদের হত্যা করেছেন।”
তবে ইলহান ওমর সোমালিয়ায় জন্মগ্রহণ করলেও তিনি তিন দশকের বেশি সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সিটিজেন (নাগরিক)। অন্যদিকে রাশিদা তালিব যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানের ডেট্রয়েটে জন্মগ্রহণ করেন, ফলে তিনি বাই বার্থ (জন্মসূত্রে) মার্কিন নাগরিক। তাই তাদের কাউকে পূর্বপুরুষের দেশে ফেরত পাঠানোর কোনো আইনি সুযোগ নেই।
ট্রাম্পের বক্তব্যের জবাবে রাশিদা তালিব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ লেখেন, দুই মুসলিম নারী প্রতিবাদ করায় ট্রাম্প ক্ষুব্ধ হয়েছেন এবং তাই তিনি এমন মন্তব্য করেছেন।





