জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সংলাপে অগ্রগতি না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর। রোববার (২২ জুন) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে অনুষ্ঠিত সংলাপের বিরতিতে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, \"এইভাবে চলতে থাকলে কিয়ামত পর্যন্তও শতভাগ ঐকমত্য হবে না।\"
\r\nনুর বলেন, \"আমরা অনেক বিষয়ে নিজেদের অবস্থান থেকে সরে এসে ঐকমত্য গঠনের চেষ্টা করছি। কিন্তু দু-তিনটি দল কঠোর অবস্থানে আছে। এই পরিস্থিতিতে শতভাগ ঐকমত্য সম্ভব নয়, তাই এখনই একটি গ্রহণযোগ্য মাপকাঠি ঠিক করতে হবে—যেখানে আংশিক কিংবা সংখ্যাগরিষ্ঠ মতকে ভিত্তি ধরে এগোনো সম্ভব হবে।\"
\r\nতিনি জানান, \"দুই মেয়াদের বেশি কেউ প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না\"—এই প্রস্তাব আগেই আলোচনায় এসেছে। পরবর্তী ধাপে জাতীয় সাংবিধানিক কাউন্সিল (এনসিসি), দ্বিকক্ষ পার্লামেন্ট, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পদ্ধতি ও উচ্চকক্ষের সংখ্যানুপাতিক নির্বাচনের মতো বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে।
\r\nবিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, \"আমরা আলোচনা করছি কীভাবে সংবিধানকে আরও জবাবদিহিমূলক ও ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা করা যায়।\"
\r\nতিনি আরও জানান, বিএনপি চাইছে পুরো আলোচনাকে একটি ‘প্যাকেজ প্রস্তাব’ হিসেবে দেখতে। তবে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু এখনও বাকি রয়েছে। আগামী দুদিন সংলাপে বিরতি থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি। সেই সময়ের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া তৈরির চেষ্টা চালানো হবে।
\r\nজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের আলোচনায় এখন পর্যন্ত কিছু বিষয়ে অগ্রগতি হলেও মূল কাঠামোগত সংস্কার নিয়ে দলগুলোর মধ্যে মতানৈক্য এখনো স্পষ্ট।





