জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ সুষ্ঠুভাবে হয়নি বলে অভিযোগ তুলেছে বামপন্থি শিক্ষার্থীদের সমর্থিত প্যানেল ‘সম্প্রীতির ঐক্য ফোরাম’।


\r\n

বৃহস্পতিবার বেলা তিনটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুরাদ চত্বরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন প্যানেলের প্রার্থীরা।


\r\n

সংবাদ সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) প্রার্থী শরণ এহসান বলেন, “বুধবার রাত দুইটার পর জানানো হয়েছিল প্রার্থীরা পোলিং এজেন্ট রাখতে পারবে। কিন্তু সকালে যখন আমাদের এজেন্টরা কেন্দ্রে যায়, তখন তাদের নানাভাবে হেনস্তা করা হয়েছে। কয়েকটি হলে এজেন্টদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি। প্রশাসন বলেছে তাদের ওপর আস্থা রাখতে, অথচ তখন ভোট গ্রহণ চলছিল। প্রশাসনের এই আচরণ ভোটকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।”


\r\n

তিনি আরও অভিযোগ করেন, “ছাত্রশিবির সমর্থিত প্রার্থীরা ভোটারদের হাতে চিরকুট দিয়ে ভোট প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছে। শুরু থেকেই এই নির্বাচন স্বচ্ছভাবে হয়নি। ভিপি প্রার্থী অমর্ত্য রায়ের প্রার্থিতা বাতিলের মধ্য দিয়েই অনিয়ম শুরু হয়।”


\r\n

এর আগে দুপুরে অনিয়মের অভিযোগ তুলে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেয় ছাত্রদল-সমর্থিত প্যানেল। সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদপ্রার্থী তানজিলা হোসাইন বৈশাখী সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন।


\r\n

শরণ এহসান আরও বলেন, “নির্বাচনী প্রক্রিয়া শুরুর পর থেকেই কমিশনের নানা অস্বচ্ছতা ও অনিয়ম লক্ষ্য করেছি। প্রচারণাকালে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ৯ সেপ্টেম্বর প্রার্থীদের ডোপ টেস্ট করার কথা ছিল, কিন্তু অনেক প্রার্থী টেস্ট করেনি। ফলাফলও এখনো প্রকাশ করেনি কমিশন। এসব কারণে নির্বাচন কমিশনের ওপর আস্থা হারিয়েছে শিক্ষার্থীরা।”