ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন স্থগিতের হাইকোর্টের আদেশ চেম্বার আদালত স্থগিত করেছেন। এর ফলে নির্বাচনের কোনো আইনি বাধা নেই। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি মেঘমল্লার বসু অভিযোগ করেছেন, এক ব্যক্তিকে ভিপি বানানোর জন্যই ডাকসু নির্বাচন আয়োজন করা হচ্ছে।


\r\n

সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) ফেসবুকে পোস্টে বসু বলেন, একটি সেশনে দুইবার এমফিলে ভর্তি নেওয়া হয়েছে এবং ওই ব্যক্তি ক্যামেরার সামনে এসে ডাকসুর কাজকে “নেতা প্রোডিউস করা” বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, এই নির্বাচন মূলত কিছু প্রেশার গ্রুপের স্বার্থে এবং নির্দিষ্ট অর্গানাইজেশনের সুবিধার জন্য সাজানো হচ্ছে।


\r\n

বসু আরও বলেন, সেপ্টেম্বরের ৫-৬ তারিখ নির্বাচন রাখা হয়েছে, এরপর পরীক্ষা ও ক্লাস বন্ধ। এতে ভোটারের উপস্থিতি কমবে। তার দাবি ছিল, পরীক্ষা রাখা হোক যাতে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে থাকে এবং ভোটাররা প্রচারণা শুনতে পারে।


\r\n

নারী শিক্ষার্থীদের নিয়ে বসু উল্লেখ করেন, প্রার্থীরা ম্যানিফেস্টো দিচ্ছেন যে একটি হলে থাকা মেয়েরা অন্য হলে যেতে পারবে। কিন্তু প্রচারণা নারী শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ছাড়া অন্য হলে করা যাচ্ছে না। ফলে প্রার্থীদের সমান সুযোগ পাওয়া সম্ভব হচ্ছে না।


\r\n

তিনি বলেন, ‘বাম’ প্যানেলের অংশগ্রহণ সীমিত হয়েছে এবং একাধিক ঘটনা দিয়ে মনোযোগ আকর্ষণ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধ ও গণ আন্দোলন বিষয়ক সম্পাদক কিছু বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন, যা তিনি অসঙ্গত মনে করছেন।


\r\n

বসু নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে বলেন, তিনি রাজনীতিবিদ নন, কিন্তু ক্যাম্পাস রাজনীতি ও শিবির বিরোধিতা করে আসছেন। নির্বাচন জেতা তার প্রধান উদ্দেশ্য নয়, বরং শিক্ষার্থীদের জন্য ন্যায্য প্রক্রিয়া বজায় রাখা এবং রাজনৈতিক চাপে শিক্ষার্থীদের ক্ষতি না হওয়া তার লক্ষ্য।


\r\n

তিনি নিজের স্বাস্থ্যগত সমস্যার কথাও উল্লেখ করেছেন, তবে তা নির্বাচনে অংশগ্রহণে বাধা হয়ে দাঁড়াবে না। পোস্টের শেষে বসু মিডিয়াকে অনুরোধ করেছেন, ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তাকে ফোন না করতে, কারণ এতে শিক্ষার্থীদের প্রাইভেসি ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো অবজ্ঞা করা হচ্ছে।