অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর টানা বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১২৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। হতাহতদের মধ্যে ৩৬ জনকে হত্যা করা হয়েছে দক্ষিণ গাজার আল-মাওয়াসিরে, যেটিকে ইসরায়েল আগে ‘নিরাপদ অঞ্চল’ হিসেবে ঘোষণা করেছিল।

\r\n

রোববার (১৮ মে) আল-জাজিরার বরাতে এ তথ্য জানানো হয়। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, উত্তর গাজার সব সরকারি হাসপাতাল বর্তমানে বন্ধ হয়ে গেছে। ইসরায়েলের লাগাতার হামলায় হাসপাতালগুলো চালু রাখা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

\r\n

এই হামলাগুলো এমন সময় ঘটছে, যখন ইসরায়েল নতুন করে গাজায় স্থল হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং কাতারে হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি আলোচনা আবারও শুরু হয়েছে।

\r\n

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ৭ অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় ৫৩,৩৩৯ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১,২১,০৩৪ জন আহত হয়েছেন। তবে গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস বলছে, মৃতের প্রকৃত সংখ্যা ৬১,৭০০-এর বেশি এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও হাজার হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছে, যাদের অনেকেই মারা গেছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

\r\n

এদিকে, গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের জবাবে ইয়েমেনের হুথি আনসারুল্লাহ গোষ্ঠী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল অধিকৃত কেন্দ্রীয় অঞ্চলে। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, হামলার সময় তেলআবিবসহ বিভিন্ন শহরে সাইরেন বেজে ওঠে এবং বেন-গুরিয়ন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

\r\n

ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীর তথ্য শাখার উপপ্রধান নাসরেদ্দিন আমের এক্স (সাবেক টুইটার)-এ দেওয়া এক বার্তায় বলেন, “ইসরায়েলি দখলকৃত ভূখণ্ডের সব বিমানবন্দর এখন অনিরাপদ। আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থাগুলোর উচিত ইসরায়েলগামী ফ্লাইট এড়িয়ে চলা।”

\r\n

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “গাজায় আগ্রাসন বন্ধ না হলে এবং অবরোধ না তুললে ইয়েমেনি সামরিক অভিযান আরও তীব্র ও ঘন ঘন হবে।” সূত্র: আল-জাজিরা, ইরনা