রোববার (১১ মে) এক যৌথ বিবৃতিতে খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা আব্দুল বাছিত আজাদ ও মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের আওয়ামী লীগের সকল কার্যক্রম নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন।
বিবৃতিতে নেতারা উল্লেখ করেন, বিচার কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত আওয়ামী লীগের কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তকে যথাযথ মনে করেন তারা। তাদের দাবি, বিগত সাড়ে ১৫ বছর ধরে আওয়ামী লীগ বিভিন্ন মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ড ও গণহত্যায় জড়িত ছিল, যা প্রমাণিত। বিশেষ করে জুলাই-আগস্টের গণহত্যাসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে দলটির সম্পৃক্ততা স্পষ্ট।
নেতারা অভিযোগ করেন, ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করতে আওয়ামী লীগ ভারতের সহায়তায় দেশের জনগণের বিরুদ্ধে সহিংস অবস্থান নিয়েছিল এবং দলটির কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত নেতাকর্মীরা মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত ছিলেন। তবে এসব অপরাধীদের মধ্যে অনুশোচনার কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি।
খেলাফত মজলিসের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, গত বছরের ৫ আগস্ট অভ্যুত্থান পরবর্তী সময় থেকে তারা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যক্রম বন্ধ ও নিবন্ধন বাতিলের দাবি জানিয়ে আসছে। অবশেষে শনিবার (১০ মে) রাতে ছাত্রজনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের চাপে অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে বাধ্য হয়।
বিবৃতিতে খেলাফত মজলিস সরকারকে অবিলম্বে দল হিসেবে আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিল এবং অপরাধী নেতাকর্মীদের বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানায়।





