বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, রাজনৈতিক সংস্কার কার্যকর করতে হলে দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও শ্রদ্ধাবোধ গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, \"শুধু সংস্কার বললেই হবে না, সবার আগে দরকার খোলা মন। আলোচনায় বসতে হবে আন্তরিকতা নিয়ে।\"
আজ বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘গণতান্ত্রিক পুনর্গঠন’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
ড. মঈন খান বলেন, “সব রাজনৈতিক দল সংস্কার বিষয়ে একমত হবে—এমনটা ভাবা অমূলক। গণতন্ত্র মানেই ভিন্নমত। তাই সংস্কারেও ভিন্ন মত থাকবে। আমাদের প্রথাগত চিন্তা ও পদ্ধতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। বদ্ধধারণা ও সংকীর্ণ রাজনৈতিক চিন্তা থেকে না বের হলে আবারও ৫ আগস্টের মত পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে।”
আলোচনায় জাতীয় নিরাপত্তা প্রসঙ্গ তুলে বলেন, “যুদ্ধ, জ্বালানি, খাদ্য, গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম—এসব ক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। তবে রাষ্ট্রের নিরাপত্তার আগে মানুষের নিরাপত্তা অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত।” প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করেও নিরাপত্তা জোরদার করা সম্ভব।
নির্বাচন নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, “সুষ্ঠু নির্বাচনের বিষয়ে সব রাজনৈতিক দল একমত। ভোটাররা যাকে ভোট দেবেন, তারাই নির্বাচিত হবেন—এতে কোনো বিতর্কের অবকাশ নেই।”





