শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেতে আবারও তীব্র আগ্রহ দেখালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার দাবি, তাকে নোবেল শান্তি পুরস্কার না দিলে সেটি শুধু তার ব্যক্তিগত অপমান নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রের জন্যও হবে বড় এক ‘অপমান’।

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ওয়াশিংটনে শতাধিক সামরিক কর্মকর্তাদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তৃতায় তিনি বলেন, “আমি কি নোবেল পাব? অবশ্যই না। তারা এমন কাউকে নোবেল দেবে, যে কিছুই করেনি। এটা হবে আমাদের দেশের জন্য বড় অপমান। আমি চাই আমাদের দেশ এটা পাক, কারণ আমাদের দেশেরই প্রাপ্য।”—এএফপি।

একই বক্তৃতায় ট্রাম্প অপরাধ ও অভিবাসন সমস্যাকে ‘অভ্যন্তরীণ যুদ্ধ’ আখ্যা দিয়ে দেশে সেনা মোতায়েনেরও ঘোষণা দেন।

২০০৯ সালে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা নোবেল শান্তি পুরস্কার জেতার পর থেকেই ট্রাম্প এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে আসছেন। এবারও তিনি সেই প্রসঙ্গ টেনে বলেন, জানুয়ারি থেকে দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি সাতটি যুদ্ধের অবসান ঘটিয়েছেন।


ট্রাম্প দাবি করেন, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে প্রকাশিত গাজা পরিকল্পনা কার্যকর হলে আট মাসের মধ্যে আটটি যুদ্ধের অবসান ঘটবে। তবে হামাস এ বিষয়ে এখনো কোনো সাড়া দেয়নি।



তবে নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার ট্রাম্পের সম্ভাবনা প্রায় শূন্য বলে জানিয়েছেন ইতিহাসবিদ ও নোবেল বিষয়ক গবেষক ওইভিন্ড স্টেনার্সেন। নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটিও স্পষ্ট করেছে, কোনো প্রার্থীর ব্যক্তিগত প্রচারণা বা রাজনৈতিক চাপ তাদের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলবে না।

ট্রাম্পের দাবির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন

ট্রাম্প প্রশাসন যে সাতটি সংঘাতের অবসান ঘটানোর তালিকা প্রকাশ করেছে, সেখানে কসোভো-সার্বিয়া, পাকিস্তান-ভারত, মিশর-ইথিওপিয়া, আর্মেনিয়া-আজারবাইজানসহ কয়েকটি বিরোধের কথা উল্লেখ রয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব দাবির অনেকগুলোর সত্যতা আংশিক, আবার কিছু একেবারেই ভুল।