জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলন দমন করতে ‘আয়না ঘরে’ নিয়ে নির্যাতন চালানো হয়। আন্দোলন স্থগিত করতে আন্দোলনকারীদের দেওয়া হয় গুমের হুমকি।


বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে দ্বিতীয় দিনের জবানবন্দিতে এসব কথা বলেন তিনি।


নাহিদ ইসলাম জানান, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ‘বিএনপি-জামায়াতের নাশকতায় জড়িত’ এমন স্বীকারোক্তি আদায়ের জন্য জিজ্ঞাসাবাদের নামে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সরকার July গণহত্যার মাধ্যমে গণতান্ত্রিক আন্দোলন দমন করেছে এবং এতে সরাসরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জড়িত।


তিনি আরও দাবি করেন, অভ্যুত্থান-পরবর্তী সরকার গঠনের জন্য নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল।


ট্রাইব্যুনালে প্রথম দিনের জবানবন্দিতে নাহিদ ইসলাম ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন, ২০১৯ সালের একতরফা ডাকসু নির্বাচন এবং সাম্প্রতিক জুলাই আন্দোলনের সময় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ‘দমন-পীড়নের’ বিস্তারিত তুলে ধরেন।


\r\n\r\n\r\n\r\n\r\n

নাহিদ ইসলাম তার জবানবন্দিতে শেখ হাসিনাসহ অভিযুক্তদের মানবতাবিরোধী অপরাধে শাস্তি দাবি করেন।