আসন্ন বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আগেভাগেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তি ও বিতর্ক ছড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছে সংস্থাটি। মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) বিওএর মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এবিএম শেফাউল কবীরের স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ অভিযোগ জানানো হয়।


চিঠিতে বলা হয়, দেশের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নের লক্ষ্যে বিওএ তার গঠনতন্ত্র অনুযায়ী একটি নির্বাচিত কমিটি দ্বারা পরিচালিত হয়, যার মেয়াদ চার বছর। বর্তমান কমিটির মেয়াদ শেষ হবে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে, এবং সেই সময়েই দায়িত্ব হস্তান্তর করা হবে।


মহাপরিচালক লেখেন, “কমিটির সকল সদস্য নির্বাচিত। কোনো ফেডারেশনের প্রতিনিধিত্ব না থাকলেও তাদের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোনো আইনগত ভিত্তি নেই।”


চিঠিতে আরও বলা হয়, “বিওএ কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষার প্রতিষ্ঠান নয়। আমরা আমাদের কর্মসূচিতে ভুল বা অসঙ্গতি থাকলে তা সংশোধন করি এবং সমালোচনাকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করি। তবে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ আমাদের হতাশ করে এবং সংশ্লিষ্টদের খেলাধুলা উন্নয়নের কাজে নিরুৎসাহিত করে।”


বিওএ সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি কিছু গণমাধ্যমে ও মহলের মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি (আইওসি)-তে নালিশ জানানো হয়েছে। এতে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে এবং আইওসিতে নিষেধাজ্ঞার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।


বিওএ মনে করে, এ ধরনের প্রচারণা কেবল আসন্ন নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই নয়, বরং দেশের আন্তর্জাতিক ক্রীড়া মর্যাদাকেও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।