প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব মো. শফিকুল আলম বলেছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে—এ ব্যাপারে আশাবাদী সরকার। তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে যেভাবে সুশৃঙ্খলভাবে ভোট গ্রহণ হয়েছে, তা আগামী জাতীয় নির্বাচনের একটি ইতিবাচক পূর্বাভাস।
বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে নাগরিক কোয়ালিশন আয়োজিত ‘সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রত্যাশা ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।
শফিকুল আলম বলেন, “সরকার নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব করবে না। ভোটারদের নিরাপদ ও নিশ্চিন্তে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
তিনি আরও জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতেই অনুষ্ঠিত হবে এবং এই সময়সূচি থেকে সরে আসার চেষ্টা হলে তা জাতির জন্য বড় ধরনের সংকট তৈরি করবে।
নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা পরিকল্পনার বিষয়ে তিনি বলেন, “ভোটের সময় প্রায় ৮ লাখ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য—পুলিশ, বিজিবি ও আনসার মোতায়েন থাকবে, যাতে সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।”
সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য শুধু সরকারের সদিচ্ছা যথেষ্ট নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। “একটি সফল নির্বাচন আয়োজন সমাজের বিভিন্ন অংশ ও রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণ ও সদিচ্ছার ওপর নির্ভর করে। নির্বাচন শুধু সরকার করে না—এটা করে রাজনৈতিক দলগুলো এবং সমাজ।”
তিনি বলেন, “যদি জনগণ নিজের অধিকার রক্ষায় ভোট দিতে কেন্দ্রমুখী হয়, তবে কোনো শক্তিই একটি সুষ্ঠু নির্বাচন ঠেকাতে পারবে না।” ডাকসু নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে শফিকুল আলম বলেন, “জাতীয় নির্বাচনও ভালো হবে—তার একটি প্রতিফলন আমরা ডাকসুতে পেয়েছি।”





